আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান):
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে অভিযোগের তদন্তে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা, মারধর ও সরকারি সরঞ্জাম ভাঙচুরের অভিযোগে জাফর আলম (৫৭) ও তাঁর স্ত্রী দিলনূর বেগমকে (৪০) আটক করা হয়েছে। এ সময় একটি রামদা ও একটি বটি জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টা ১২ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদঘোনা এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (২৫) ৯৯৯-এ ফোন করে হামলা ও মারধরের অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পুলিশের দাবি, এ সময় অভিযুক্তরা পুলিশ সদস্যদের কাজে বাধা দেন, অসদাচরণ ও মারধর করেন এবং পুলিশের ব্যবহৃত সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে দিলনূর বেগম ও তাঁর ছেলে আরিয়ান রামদা হাতে নিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে এগিয়ে আসেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় জাফর আলম ও দিলনূর বেগমকে আটক করা হয় এবং তাঁদের হেফাজত থেকে একটি রামদা ও একটি বটি জব্দ করা হয়। আহত পুলিশ সদস্যরা পরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ৯৯৯-এ পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশের কাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নাইক্ষ্যংছড়িতে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আটক ২
পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে
